বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, খুনসুটি, শিক্ষকদের আদর-ভালোবাসা, স্নেহ আর শাসনের গল্পে গাঁথা যে সময়—তাই তো স্কুল জীবন। ছোটবেলার সেই স্মৃতিগুলো ভুলে থাকা কি সহজ? জীবিকার তাগিদে সবাই যখন ছড়িয়ে পড়ে কর্মজীবনে, তখন বন্ধুদের দেখা পাওয়া যায় না ঠিকই, কিন্তু মনে ঠিকই গেঁথে থাকে সেই সব মুহূর্ত।
ঠিক এমনই কিছু স্মৃতি রোমন্থন করতে শুক্রবার বিকেলে (১০ই জুন ২০২২) মেহেরপুর জেলা পরিষদ হলরুমে মিলিত হয়েছিলেন মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এবং তাদের প্রিয় শিক্ষকরা। উপস্থিত ছিলেন আগের ব্যাচের একজন বড় ভাইও।
হাসি, আড্ডা আর স্মৃতিচারণায় কেটে যায় কয়েক ঘণ্টা যেন চোখের পলকে। আবেগঘন পরিবেশে শিক্ষকরাও ফিরে যান শৈশবমাখা শিক্ষাজীবনের দিনগুলোতে।
শিক্ষকরা তুলে ধরেন তাদের গড়া ছাত্রদের সাফল্যের গল্প—কারও কাঁধে এখন চিকিৎসার দায়িত্ব, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষকতা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ বা স্কুলে, কেউবা হয়েছেন সফল ব্যবসায়ী কিংবা সাংবাদিক। শিক্ষকদের চোখেমুখে ছিল গর্বের আলোর ছটা। তবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাতেও ভুল করেননি তাঁরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক ও বড় ভাইদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এসএসসি ৯৮ ব্যাচের ছাত্ররা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন এই ব্যাচের শিক্ষার্থী মুন্সী রাশেদুল হক সজিব,
সঞ্চালনায় ছিলেন মীর দানিয়েল হোসেন রনি।
বক্তব্য রাখেন:
মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আনিসুজ্জামান,
-
সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মান্নান,
-
এসএসসি ১৯৯৭ ব্যাচের সভাপতি ও এনআইসিভিডির কার্ডিওলজিস্ট ডা. মোঃ কাজল আলী।
পরে ৯৮ ব্যাচের তিনজন কৃতি সদস্যকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়—
কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেলিম রেজা,
-
চ্যানেল ২৪-এর সেরা প্রতিবেদক হিসেবে স্টাফ রিপোর্টার রাশেদুজ্জামান,
-
এশিয়ান টেলিভিশনের সেরা সংবাদদাতা মিজানুর রহমান জনি।
এই মিলনমেলা শুধু একটি অনুষ্ঠান ছিল না, ছিল স্মৃতি আর ভবিষ্যতের এক চমৎকার সেতুবন্ধন।






















.jpg)




































































































































































মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন